সৃজনশীল পদ্ধতিতে বাংলার শিক্ষাব্যবস্থা
শিক্ষাজীবন আমাদের ভবিষ্যৎ জীবন গঠনের মূলমন্ত্র ।
শিক্ষকেরা বলেন ‘শিক্ষাজীবন হলো মানুষের জীবনের সেই শস্যক্ষেত্র,যেখানের বীজ বপণের উপর আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল।এই জীবনে যারা যত কষ্ট করে বীজ বপণ করবে,তাদের ভবিষ্যৎ ঠিক ততটাই সফলকাম হবে।’
কিন্তু এখানে একটি রাস্তা হলো সৃজনশীল।বিষয়টি শিক্ষার্থীদের কাছে কিছু একটা বানিয়ে লেখার সমান। এই পদ্ধতিটির মূল লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল করে তোলা ।
কিন্তু এই উদ্দেশ্য ছিল পুরোটাই বৃথা ।কারণ সৃজনশীল পদ্ধতিতে শিক্ষা নেওয়া যায়,কিন্তু কর্মক্ষেত্রে কাজ করা যায় না ।এতে কর্মক্ষেত্রের নিয়ম-নীতিতে বাঁধার সৃষ্টি হয় কারণ যত যাই হোক, সর্বোচ্চ সফলতা অর্জনের ক্ষেত্রে সৃজনশীল পদ্ধতি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বর্জনীয় ।
তবে নূন্যতম সফলতা অর্জনের জন্য সৃজনশীলতা কিছুটা দরকার। কিন্তু এই শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের অন্যভাবে শিক্ষা দিতে চাচ্ছে ।জানিনা সেটা কীভাবে।
কারণ এই শিক্ষাব্যবস্থায় সৃজনশীল প্রশ্নের সংখ্যা বাড়ছে ।কিন্তু বাড়ছে না সময়।উত্তর করার সময় ।যার কারণে শিক্ষার্থীরা উত্তরপত্রে উত্তর করতে গিয়ে বিভ্রান্ত হচ্ছে এবং এতে পাশের হার ক্রমাগত কমছে,যা দেশের ভবিষ্যতের জন্য আঁধারময় ।
এজন্য সরকারের কাছে অনুরোধ দয়া করে এই সৃজনশীল শিক্ষাকে হয় সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা হোক,নতুবা বাদ দেওয়া হোক ।
তবেই এদেশের ভবিষ্যত হবে উদ্ভাসিত ও উজ্জ্বল ।।।
শিক্ষাজীবন আমাদের ভবিষ্যৎ জীবন গঠনের মূলমন্ত্র ।
শিক্ষকেরা বলেন ‘শিক্ষাজীবন হলো মানুষের জীবনের সেই শস্যক্ষেত্র,যেখানের বীজ বপণের উপর আমাদের ভবিষ্যৎ নির্ভরশীল।এই জীবনে যারা যত কষ্ট করে বীজ বপণ করবে,তাদের ভবিষ্যৎ ঠিক ততটাই সফলকাম হবে।’
কিন্তু এখানে একটি রাস্তা হলো সৃজনশীল।বিষয়টি শিক্ষার্থীদের কাছে কিছু একটা বানিয়ে লেখার সমান। এই পদ্ধতিটির মূল লক্ষ্য ছিল শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল করে তোলা ।
কিন্তু এই উদ্দেশ্য ছিল পুরোটাই বৃথা ।কারণ সৃজনশীল পদ্ধতিতে শিক্ষা নেওয়া যায়,কিন্তু কর্মক্ষেত্রে কাজ করা যায় না ।এতে কর্মক্ষেত্রের নিয়ম-নীতিতে বাঁধার সৃষ্টি হয় কারণ যত যাই হোক, সর্বোচ্চ সফলতা অর্জনের ক্ষেত্রে সৃজনশীল পদ্ধতি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বর্জনীয় ।
তবে নূন্যতম সফলতা অর্জনের জন্য সৃজনশীলতা কিছুটা দরকার। কিন্তু এই শিক্ষাব্যবস্থা শিক্ষার্থীদের অন্যভাবে শিক্ষা দিতে চাচ্ছে ।জানিনা সেটা কীভাবে।
কারণ এই শিক্ষাব্যবস্থায় সৃজনশীল প্রশ্নের সংখ্যা বাড়ছে ।কিন্তু বাড়ছে না সময়।উত্তর করার সময় ।যার কারণে শিক্ষার্থীরা উত্তরপত্রে উত্তর করতে গিয়ে বিভ্রান্ত হচ্ছে এবং এতে পাশের হার ক্রমাগত কমছে,যা দেশের ভবিষ্যতের জন্য আঁধারময় ।
এজন্য সরকারের কাছে অনুরোধ দয়া করে এই সৃজনশীল শিক্ষাকে হয় সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা হোক,নতুবা বাদ দেওয়া হোক ।
তবেই এদেশের ভবিষ্যত হবে উদ্ভাসিত ও উজ্জ্বল ।।।
No comments